BDLove99.Com
HomeBangla Newsনারীর সতীত্ব পরিক্ষায় টু ফিঙ্গার টেস্ট কি ভাবে করতে হয় জেনে নিন ! জানা থাকলে আপনিও আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী কুমারি কিনা জানতে পারবেন সহজে !!

New নাটক, মুভি,গান ভিডিও ডাউনলোড করুন খুব সহজেই

নারীর সতীত্ব পরিক্ষায় টু ফিঙ্গার টেস্ট কি ভাবে করতে হয় জেনে নিন ! জানা থাকলে আপনিও আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী কুমারি কিনা জানতে পারবেন সহজে !!

481402_460613823974990_1096321064_n

চিকিৎসাপদ্ধতি অনুযায়ী পরীক্ষার সময় নারীর হাইমেনকে একটি গোলাকার ঘড়ির ফ্রেম হিসেবে দেখা হয়। ঘড়ির কাঁটার ৩ বা ১০-এর অবস্থানে যদি ধর্ষিতার হাইমেন ছেঁড়া থাকে, তবে চিকিৎসক ধরে নেন এখানে জোরাজুরি বা অসম্মতির সেক্স হয় নি।

আর যদি হাইমেন নিচের দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার ৫ অথবা ৮-এর দিকে ছিঁড়ে, তবে চিকিৎসক এটা ঘোষণা করেন যে এই হাইমেন ছেঁড়ায় জোরারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি টু ফিঙ্গার টেস্টে ব্যবহৃত চিকিৎসকের হাতের আঙুল তাঁর শরীরের আকার, গড়ন, ইত্যাদির ভেদে যেমন বিভিন্ন হয়, তেমনি একজন চিকিৎসক তাঁর আঙুলের বেড়ের সাপেক্ষে নিজস্ব অনুভূতিতে অনুভব করেন যে আঙুল কত সহজে বা কঠিনে যোনিপথে প্রবেশ করল।

ফলে এই ভীষণ সাবজেকটিভ পরীক্ষণ পদ্ধতি কখনোই নারীর শরীরের ভিন্নতর গঠন বাস্তবতাকে নির্ণয় করবার কোনো ক্ষমতা রাখে না। বরং নারী শরীরের এই মাপজোকের সাথে নারীর যৌনসম্পর্কে অসম্মতি আছে কি নেই তার যতটা না সম্পর্ক রয়েছে, তার চাইতে ‘সত্যিকারের ধর্ষণের’ ধারণা এই মাপজোকের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণভাবে বৈজ্ঞানিক যৌক্তিকতায় প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে।

মেডিকেল পরীক্ষার সময় আমরা ধরেই নেই, ধর্ষণ হতে পারে রাতের আঁধারে, অস্ত্রের মুখে, অচেনা মানুষ কর্তৃক এবং ‘হাইমেন অক্ষত থাকা’ সমাজের ‘কুমারী’ নারীরসাথে, যা কিনা নিচের দিকে, নতুন করে হাইমেন ছিঁড়লে এবং যোনিপথ শক্তপোক্ত হলেই কেবল ঘটতে পারে। ফলে যে নারীর হাইমেন আগে ছিঁড়েছে, সে যে কারণেই হোক, যে নারী বিবাহিত, যার যোনিপথ সমাজ অনুমোদিত ‘স্বামীসঙ্গের’ কারণেও ঢিলেঢালা হয়ে পড়েছে, মেডিকেল এভিডেন্স তাঁর প্রসঙ্গে ‘হাইমেন অল্ড রেপচার’, ‘হেবিচুয়েট টু সেক্স’ এই বিশেষণগুলো ব্যবহার করবে।

আর কোর্টে মেডিকেল পরীক্ষার এই অল্ড রেপচার, হেবিচুয়েট টু সেক্স বিশেষণগুলো নারীর পূর্বেকার যৌন ইতিহাসের বয়ান উপস্থিত করে, বিচারকক্ষেধরে নেয়া হয় নারীটি পূর্বেও যৌনকাজে লিপ্ত হয়েছে। ফলে তাঁর ‘সতীত্ব’ নেই, পুরুষালি আইনি পরিসর ধর্ষকের তরফ থেকে নারীর ধর্ষণকেন্দ্রিক অসম্মতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার সুযোগ তৈরি করে দেয় এবং এই সামাজিক ধারণাতেই বিচার প্রক্রিয়া চলতে শুরু করে ‘যে নারী কুমারী না, তার ধর্ষণ হয় কীভাবে?’ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বিশেষণ কোনো বিশেষ বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, টু ফিঙ্গার টেস্ট কোনো বয়সের ধর্ষিতা নারীর সাথে সম্পাদন করা যাবে এ নিয়ে কোোন নীতিমালা প্রণীত হয় নি।

, আর তাই মেডিকেল পরীক্ষার সনদে ৮, ৬ এমনকি ৫ বছরের মেয়েশিশুও (টু ফিঙ্গার টেস্টের পরে) ‘হাইমেন ওল্ড রেপচার’, হেবিচুয়েট টু সেক্স’ এই বিশেষণে বিশেষায়িত হতে পারেন।তবে একজন চিকিৎসকই সঠিকভাবে বলতে পারেন যে, কোন মেয়ের সতীচ্ছেদ ছিড়ে গেছে কিনা। তবে এমন কিছু কিছু লক্ষণ আছে যা দ্বারা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে, আসলেই আপনার সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে গেছে কিনা।

About Author (1190) 3480 Views

Related Posts

[X Close Ads বিঙ্গাপন কাটুন]
Loading...