BDLove99.Com
HomeBangla Newsছেলেদের জানা জরুরীঃ মেয়েদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর ১০টি অংশ ওই জায়গায় স্পর্শ করলে পাগল হয় সেক্স করার জন্য

New নাটক, মুভি,গান ভিডিও ডাউনলোড করুন খুব সহজেই

ছেলেদের জানা জরুরীঃ মেয়েদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর ১০টি অংশ ওই জায়গায় স্পর্শ করলে পাগল হয় সেক্স করার জন্য

capture

১. চুল ও চুলের গোড়ার ত্বকঃ
প্রথমেই এই হেডিং পড়ে আমাকে সবাই পাগল ঠাউরাতে পারেন;
বিশেষ করে ছেলেরা বলতে পারে, আরে ধুর! চুল আবার
সেক্সী হল কবে থেকে! কিন্ত হ্যা, ছেলেদের চুল ও এর
গোড়ার ত্বক তাদের অন্যতম একটা স্পর্শকাতর অংশ। তবে এর
জন্য প্রয়োজন বিপরীত লিঙ্গের স্পর্শ। ছেলেদের ঘন
চুল মেয়েদের কাছে সরাসরি যদি নাও হয়, অবচেতন মনে বেশ
আকর্ষনীয় (যাদের মাথায় টাক তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)।
একটা ছেলেকে আদর করতে হলে মেয়েটি তার নরম হাত
দিয়ে তার চুলে খেলা করে তার মাঝে সূক্ষ যৌনানুভুতি জাগিয়ে
তুলতে পারে। ছেলেটির চুলের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মেয়েটি
পরোক্ষভাবে ছেলেটির প্রতি তার ভালোবাসার সূক্ষ আবেদন
ছড়িয়ে দিতে পারে। সেক্সের সময় ছেলেটি মেয়েটিকে
আদর করার সময় তার চুল টেনে ধরে মেয়েটি তাকে আরো
গভীরভাবে আদরের জন্য উৎসাহ দিতে পারে। যেসব
ছেলের চুল কম বা টাক তাদের Scalp (চুলের গোড়ার ত্বক) এ
মেয়েদের হাত বুলিয়ে দেয়া, চুমু খাওয়া, জিহবা ছোয়া বেশ
Arousing হতে পারে। ছাড়া শুধু যৌনতাই নয় ছেলেটি যখন
মেয়েটির বুকে মাথা গুজে তার থেকে একটু উষ্ঞ ভালোবাসার
পরশ খুজে, তখন তার চুলে মুখ লুকিয়ে আদর করে মেয়েটিও
তার ভালোবাসায় সারা দিতে পারে।

২. কানঃ
অনেক ছেলেরই কান বেশ স্পর্শকাতর একটি স্থান। কান ও
কানের আশেপাশের অংশগুলোতে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত।
মেয়েরা তাদের তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ছেলেদের
কানের মূল অংশ ও লতিতে আস্তে আস্তে বুলিয়ে দিতে
পারে। ঠোট ও জিহবা দিয়ে কানের লতিতে, কানের পেছনের
অংশে স্পর্শ করা, লতিতে হাল্কা করে কামড় দেয়া ছেলেদের
জন্য বেশ Arousing. তাছাড়া মেয়েদের নিশ্বাসের শব্দ, হাল্কা
শীৎকার ছেলেটির কানে গিয়ে তাকে উত্তেজিত করে
তুলতে পারে। তাই মেয়েদের বলছি সেক্সের সময় আপনার
মুখ দিয়ে বিভিন্ন আদুরে শব্দ বেরিয়ে আসলে তা যেন
আটকানোর চেষ্টা করবেননা। ওর কানে ফিসফিস করে
ভালোবাসার কথা বলা, তাকে আপনি কোথায় স্পর্শ করতে
যাচ্ছেন, তার কোন জিনিসটি আপনি সবচেয়ে ভালোবাসেন তা
বলতে যেন সঙ্কোচ করবেন না।
মুখের কালো দাগ দূর করতে রাতে
ঘুমানোর আগে এই কাজ গুলো করুনে

৩. ঠোট ও জিহবাঃ
শুধু মেয়েদের ঠোটই নয় ছেলেদের ঠোটও তাদের
দেহের অত্যন্ত যৌনসংবেদী একটি অঙ্গ। এর সংবেদনশীলতা
মেয়েদের ঠোটের মতই। একটি ছেলের ঠোটে একটি
মেয়ের স্পর্শ শুধুই তাকে যৌনত্তেজিত করে তোলে না বরং
মেয়েটির কাছাকাছি থাকার এক অপূর্ব অনুভুতি জাগিয়ে তোলে।
ঠোটের মাধ্যমে মেয়েটি তার সঙ্গী তাকে যে
ভালোবাসার অনুভুতি দান করছে ঠিক একইভাবে তার প্রতিদান দিতে
পারে। ছেলেরা দারুন উত্তেজিত হয় যখন একটি মেয়ে তার
ঠোট বিশেষ করে নিচের ঠোটটি চুষে ও হাল্কা হাল্কা কামড়
দেয়। এ অবস্থায় ছেলেটির ঠোটের নিচে ও থুতনীর
উপরের অবতল অংশটিতে জিহবা দিয়ে ছুয়ে দেওয়া ওর জন্য
বেশ teasing. আর নিজের জিহবা ছেলেটির জিহবার সাথে
লাগানো সেতো ছেলেটির জন্য আরো উত্তেজনাকর। ওর
জিহবাটি চুষে দেয়া ওটার সাথে লুকোচুরি খেলা এসব কিছুই এর
অংশ। এছাড়াও চুমুতে নতুনত্ব আনার জন্য মেয়েটি চুমু খাওয়ার
পূর্বে তার মুখের ভেতরে একটি ছোট বরফের টুকরো
ভরে নিতে পারে; চুমু খাওয়ার সময় তা দুজনের দেহ দিয়েই
আনন্দের শিহরন বইয়ে দেবে। এছাড়াও ছেলেটি নিজে কিছু
করার আগেই মেয়েটি নিজেই ছেলেটির মুখ তার নিজের গলা,
গাল, বুকের ভাজ এসব Hot স্থানে নিয়ে যাওয়া ওর জন্য দারুন একটা
Turn On (এর আক্ষরিক অর্থ আমার জানা নেই, বলা যেতে পারে
‘উত্তেজনার শুরু’)
৪. গলাঃ

মেয়েদের মতই ছেলেদের গলাও অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
Sexual Reflexology বইটির লেখক Master Mantak Chia
বলেছেন, ‘ছেলেদের গলার Adam’s Apple (ছেলেদের
গলার ফোলা অংশটি) এর নিচের অংশটি দেহের বহু স্পর্শকাতর
অরগানিজমের (অর্গাজম নয়, অর্গানিজম। যার অর্থ ইন্দ্রিয়) সাথে
সম্পৃক্ত।’ তাই এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া ও চুষা
ছেলেটির জন্য দারুন Turn on. বিশেষ করে তার ঠোটে চুমু
খাওয়ার পর। জোরে জোরে ছেলেটির গলায় চুমু খাওয়া, কামড়
দেয়া ও চুষা তার জন্য বেশ উত্তেজনাকর হতে পারে। কিন্ত
আপানারা যদি পরদিন সবাইকে জানিয়ে দিতে না চান যে রাতে কি
হয়েছিল তবে ওর গলায় কামড় দেয়া ও চুষার সময় একটু নিজেকে
একটু নিয়ন্ত্রন করতে হবে (এটা মেয়েদের গলায় চুষার
বেলায়ও প্রযোজ্য)। কারন এভাবে চুষলে বা কামড়ালে যে লাভ
বাইটস (লাল দাগ) থেকে যায় তা মিলিয়ে যেতে দুই তিনদিনও
লাগতে পারে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যদি কোন
জুটি হানিমুনে বা ছুটি কাটাতে দূরে কোথাও যায়, বিশেষ করে
বিদেশে, যেখানে লোকলজ্জার খুব একটা ধার না ধরলেও
চলে, সেরকম কোন সময় ছেলে মেয়ে উভয়ের গলায় বা
গালে এ সুন্দর টুকটুকে লাল স্পটগুলো তাদেরকে একজন-
আরেকজনের প্রতি আরো বেশি আকৃষ্ট করে তুলবে। সে
যাই হোক, ছেলেদের গলায় আদর করার সময় প্রথমে হাল্কা
চুমু ও জিহবার আলতো স্পর্শ দিয়ে শুরু করতে হবে। তারপর
আস্তে আস্তে আরো আবেগময় ভাবে উপর থেকে জিহবা
লাগিয়ে ওর Adam’s Apple এ নেমে আসতে হবে তবে
সেখানে যেন কোন চাপ না পড়ে। সেখানে হাল্কা ভাবে
ঠোট দিয়ে একটু চুষে এর ঠিক নিচেই যে অংশটি আছে
সেখানে বৃত্তাকারে জিহবা বুলিয়ে দিয়ে তাকে আদর করা যায়।
এসময় ওর গলার নিচে, কলারবোনের উপর হাত বুলিয়ে দেয়া
যেতে পারে। এছাড়াও ছেলেদের গলার পিছনদিকটাও বেশ
স্পর্শকাতর। আপনার সঙ্গী যখন খুব ব্যস্ততার সাথে টেবিলে
বসে কাজ করছে বা কোথাও চলে যাচ্ছে তখন যাবার আগে
ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে ওর গলার পিছনে হাল্কা করে
চুমু বা আদুরে কামড় দিয়ে তাকে জানিয়ে দিতে পারেন যে
আপনি তাকে ভালবাসেন এবং সে না ফেরা পর্যন্ত তাকে কাছে
পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন।
যে সব কারণে পুরুষরা চিকন নারীকে পছন্দ
করে

৫. বুক (Chest) ও নিপলসঃ
ছেলেদের বলিষ্ঠ ও পেশীবহুল বুক তাদের পুরুষত্বের
প্রতীক। এটি বেশ স্পর্শকাতরও বটে। এই স্থানে
মেয়েদের নরম হাতের স্পর্শ তাদের জন্য অসাধারন Turn On.
এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলানো, কামড়ানো ছেলেদের দারুন
এক অনুভুতি সৃষ্টি করে। প্রথমে হাল্কাভাবে শুরু করে তারপর
একটু Roughly করার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক
ছেলে এখানে মেয়েদের হাল্কা আদর আর অনেকে উগ্র
আদর পছন্দ করে। এটা মেয়েটিকে তার সঙ্গীর প্রতিক্রিয়া
দেখে বুঝে নিতে হবে। ছেলেদের নিপল অত্যন্ত
স্পর্শকাতর স্থান। তাই প্রথমে হাত দিয়ে নিপলস এর আশে আশে
বুলিয়ে আস্তে আস্তে নিপলের কাছে যেয়ে হাতের
তর্জনী আগা দিয়ে (Finger tip) সেটা ম্যাসাজ করে দিতে
পারেন। তারপর মুখ নামিয়ে প্রথমে চেস্টে জিহবা লাগিয়ে
কোন-আইসক্রিম এর উপরটা যেভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খাওয়া হয়
সেভাবে ওর নিপলস এর দিকে আগাতে হবে। নিপলসে
প্রথমে আলতো ভাবে জিহবার আদর দিলে যদি তা ছেলেটির
ভালো লাগে তবে আরো একটু জোরে জিহবা বুলিয়ে দিয়ে
তারপর ঠোট নামিয়ে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মত নিপলটা চুষা যেতে
পারে। ছেলেটির চেস্টে মুখ দেয়ার আগে মেয়েটি তার
মুখে একটি বরফ চুষে নিলে তার শীতল জিহবার স্পর্শ
ছেলেটার স্পর্শকাতর নিপলস দিয়ে বিদ্যুতের মত কামনার আগুন
ছড়িয়ে দেবে। ছেলেটি যদি নিপলসে মেয়েটির রুক্ষ স্পর্শ
পছন্দ করে তবে সেখানে ছোট ছোট কামড় ও দেয়া
যেতে পারে।

৬. হাটুঃ
ছেলেদের হাটু সেক্সের কামনা জাগিয়ে তোলায় ও মৈথুনের
সময় সুখবৃদ্ধির জন্য বেশ কিছুটা ভুমিকা রাখে। কিভাবে ছেলে
মেয়ে উভয়ের হাটুতে পা বুলিয়ে Footsie করে আনন্দ
পেতে পারে তা তো আগের পোস্টেই বলেছি। এ বিষয়ে
তাই আর বেশি কিছু বললাম না। যখন সেক্সে মৈথুনের সময়
ছেলেটি শুয়ে থাকবে ও মেয়েটি তার উপরে উলটো দিকে
মুখ করে বসে থেকে উপরনিচ করবে (অর্থাৎ যে কাউগার্ল
সেক্স পজিশনে ছেলেটি মেয়েটির শুধু পিঠ দেখতে পাবে
ও মেয়েটির সামনে ছেলেটির পা থাকে) তখন মেয়েটি মৈথুন
করতে করতে ঝুকে দুই হাত দিয়ে ছেলেটির হাটুতে হাত
বুলিয়ে দিতে পারে।
শুধুমাত্র পাত্রের অভাবে বিয়ে হচ্ছে না
বাংলাদেশের যে অঞ্চলের সুন্দরী
মেয়েদের!!

৭. পিঠ ও কাধ (Shoulder):
অনেক ছেলে নিজেই জানে না তাদের পিঠ ও কাধ কতটা
যৌনস্পর্শকাতর স্থান। পিঠের কোন কোন স্থানগুলো বেশি
স্পর্শকাতর সেগুলো বিভিন্ন ছেলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন হয়।
ছেলেটির সঙ্গিনী তার সেক্সের পূর্বে এমনকি ওরা ঘুমাতে
শুয়েছে এমনসময়ও ওর পিঠে নিজের হাত বুলিয়ে বুলিয়ে সে
স্থানগুলো আবিস্কার করতে পারে। ছেলেটি যদি কাজ থেকে
ফিরে অত্যন্ত ক্লান্ত থাকে অথবা একবার সেক্স করার পর
ক্লান্তিতে এলিয়ে পড়ে অথচ তার সঙ্গিনীর যৌন আকাঙ্খা অপুর্ন
থাকে তবে মেয়েটি ওকে উজ্জীবিত করে তোলার জন্য
একটি কাজ করতে পারে। ছেলেটিকে উপুর করে বিছানায়
শুইয়ে তার নিতম্বের উপরের অংশ থেকে একেবারে গলা
পর্যন্ত হাত দিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ শুরু করতে হবে, তার
গলা পর্যন্ত গিয়ে দুই হাত তার কাধে নিয়ে একটা চাপ দিয়ে আবার
নিচে নিতম্বের উপর পর্যন্ত নামিয়ে আনতে হবে। এরকম
করে তারপর মুখ নামিয়ে ওর পিঠে এমনভাবে চুমু খাওয়া শুরু
করতে হবে যেন সেখানের একটি স্থানও অবহেলিত না থাকে।
এরপর জিহবা বের করে নিতম্বের উপর থেকে বুলাতে বুলাতে
গলায় উঠে এভাবে আদর করে, স্থানে স্থানে চুষে ও কামড়
দিয়ে ছেলেটিকে উজ্জীবিত করে তোলা যায়। এই আদর
সেক্সের মধ্যেও চলতে পারে। এছাড়াও ছেলেটি যখন খালি
গায়ে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে বা কিছু করছে (গুরুত্বপুর্ন কিছু নয়।
এমনকিছু যেটায় ব্যঘাত ঘটলে কোন সমস্যা হবে না।), তখন তার
পিছনে গিয়ে হঠাৎ করে তাকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে চুমু
খেতে থাকা, জিহবা বুলিয়ে দেয়া ওর জন্য অত্যন্ত Arousing ও

৮. উরুঃ
মেয়েদের মতই ছেলেদের উরুও তাদের একটা বেশ
স্পর্শকাতর স্থান, বিশেষ করে ভিতরের দিকের অংশটি। কিন্ত
দুঃখের বিষয় এই যে, ছেলেদের এই স্থানটা বেশিরভাগ
মেয়েদের দ্বারাই অবহেলিত হয়। ওরা মূলত এর নিকটবর্তী
আইফেল টাওয়ারের দিকেই বেশি মনোযোগী হয়। কিন্ত
মেয়েটি যখন এই স্থানটিতে হাত বুলায়, চাপ দেয়, চুমু দেয়, কামড়
দেয়, জিহবা দিয়ে আদর করে তখন ছেলেটি তার লিঙ্গে
মেয়েটির এ আদর পাওয়ার জন্য পাগলের মত হয়ে যায়। কিন্ত ওর
কথা না শুনে ওকে এভাবে tease করে তাকে উত্তেজনায়
উম্মাদের মত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যায়।
৯. নিতম্বঃ
মেয়েদের মত ছেলেদের নিতম্বও তাদের বেশ
স্পর্শকাতর একটি স্থান। মুলত এখানে মেয়েদের হাতের
জোর চাপ ও চাপর, নখের আচড় এগুলো ছেলেটিকে বেশ
উত্তেজিত করে তুলে। বিশেষ করে কিস করার সময়
ছেলেটিও যখন মেয়েটির নিতম্বে হাত বুলাতে থাকবে
সেসময় ওর নিতম্বে এধরনের রুক্ষ আদর ছেলেটিকে বেশ
উত্তেজিত করে।
১০. পেরিনিয়ামঃ
ছেলেদের অন্ডথলির নিচে ও পায়ুছিদ্রের মাঝের যেই ফাকা
অংশটি রয়েছে সেটাই পেরিনিয়াম। ছেলেদের এই অঞ্চল
মেয়েদেরটার চেয়ে একটু বড় হয়। এই অংশ মেয়েদের
চেয়েও ছেলেদের বেশি সংবেদী, কারন এই অংশটির নিচেই
রয়েছে প্রস্টেট গ্ল্যান্ড। লিঙ্গের হাত দেয়ার আগে
এখানে হাত বুলানো ও চাপ দেয়া ছেলেটির জন্য দারুন Turn On.

About Author (1190) 2465 Views

Related Posts

[X Close Ads বিঙ্গাপন কাটুন]
Loading...